প্রকাশিত: Thu, Jun 15, 2023 8:26 PM
আপডেট: Mon, Jan 26, 2026 4:45 AM

বাংলাদেশ ইস্যুতে কংগ্রেসম্যানদের চিঠির বিষয়ে অবগত নন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র মিলার

মাজহারুল মিচেল: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) এ তথ্য জানান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক ম্যাথিউ মিলারকে প্রশ্ন করেন, মানবাধিকার সম্পর্কে ইতোমধ্যে ভিন্ন দুই গ্রুপ কংগ্রেসম্যান দুটি চিঠি পাঠিয়েছেন। একটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ও অন্যটি হোয়াইট হাউজে। এটি মানবাধিকার সম্পর্কিত। বাংলাদেশের ভিতরে আসলে কী ঘটছে এবং তাদের চিঠিতে কোন প্রভাব পরছে কিনা সেটার বাস্তব চিত্র যাচাই-বাছাই কারার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কি কোন উদ্যোগ আছে?

এ প্রশ্নের জবাবে মিলার বলেন, আমি চিঠির বিষয়ে অবগত নই। কংগ্রেসম্যানদের কাছ থেকে যে সব চিঠি পাওয়া যায়, গোপনেই সেগুলোর প্রতিক্রিয়া দেয়া হয়। যেটা গোপনে বলার দরকার সেটা গোপনে বলি আর যেটা প্রকাশ্যে বলা যায় সেটা সবার সামনেই বলা হয়।

এর আগে ঐ সাংবাদিক অন্য এক প্রশ্নে বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন ভিসা নীতির জন্য ক্ষমতাসীন দল, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দল - সকলেই এর প্রশংসা ও স্বাগত জানিয়েছেন। এখানে একটি সত্যতা যাচাই করার জন্য বলছি। বিরোধী দলের মহাসচিব ফখরুল ইসলাম গত পরশু ঘোষণা করেছেন যে বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। তার এ বক্তব্য কি মার্কিন ভিসা নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের নির্বাচনে সম্ভাব্য বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে কিনা?

জবাবে তিনি বলেন, আমি বিশেষভাবে এই বক্তব্যের ব্যাপারে মন্তব্য করবো না। যুক্তরাষ্ট্র সারাবিশ্বে গণতন্ত্রের প্রসার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ নীতি অবশ্যই বাংলাদেশের জন্যও প্রযোজ্য। শান্তি, সমৃদ্ধি এবং নিরাপত্তার অগ্রগতির জন্য গণতন্ত্র হল সবচেয়ে স্থায়ী উপায়। মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রসার করা আমাদের প্রশাসনের পররাষ্ট্র নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এবং আমরা এটি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত হিসাবে স্পষ্ট করেছি।